ছবি: সংগৃহীত
দিনাজপুরের হাকিমপুরে পাওনা টাকা চাইতে যাওয়া এক নারীকে কয়েক দিন একটি বাড়িতে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। ভুক্তভোগীর মায়ের করা মামলায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
রোববার (৪ অক্টোবর) হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদশা আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মোহাম্মদ রুহুল আমিন ওরফে রিমন ও মো. শুকুর আলী। মামলার আরেক আসামি ফেরদৌস মিয়া পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ৩০ সেপ্টেম্বর পাওনা টাকা চাইতে হাকিমপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পালপাড়া এলাকার একটি বাড়িতে যান ওই নারী। অভিযোগে বলা হয়েছে, এরপর ৩ অক্টোবর পর্যন্ত তাকে সেখানে আটকে রাখা হয়।
এজাহারে রুহুল আমিন, শুকুর আলী ও ফেরদৌস মিয়ার বিরুদ্ধে ওই নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে। একই সঙ্গে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানোর অভিযোগও রয়েছে।
শনিবার রাতে স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি জানতে পেরে ওই বাড়িতে যান এবং দুইজনকে আটক করেন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
হাকিমপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আটক দুইজনকে হেফাজতে নেয় এবং ওই নারীকে উদ্ধার করে।
পরে রোববার ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে হাকিমপুর থানায় মামলা করেন। মামলার পর রুহুল আমিন ও শুকুর আলীকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।
ওসি বাদশা আলম জানিয়েছেন, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের চেষ্টা চলছে।
মামলায় আনা অভিযোগগুলো এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি।
কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!