চাঁদপুরের বাবুরহাট এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। ছবি: সংগৃহীত
চাঁদপুরের বাবুরহাট এলাকায় সরকারি জমি ও ফুটপাত দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আগামী ১২ নভেম্বরের মধ্যে সরেজমিনে তদন্ত শেষ করে অবৈধ স্থাপনার বিবরণ এবং দখলদারদের নাম-ঠিকানাসহ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে চাঁদপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীকে।
চাঁদপুর জেলার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুজাহিদুর রহমান স্বাক্ষরিত আদেশে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির ফখরুদ্দিন আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। সরকারি জমি দখল এবং জনসাধারণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে এ পদক্ষেপ নিয়েছেন।
আদালতের আদেশে উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ আগস্ট চাঁদপুর পৌরসভার বাবুরহাট এলাকায় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অধিগ্রহণ করা জমিতে থাকা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, চাঁদপুর-মতলব সড়কের বাবুরহাট বাজারসংলগ্ন পশ্চিম পাশে সড়ক বিভাগের জমি ও ফুটপাত দখল করে আবারও বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে।
বাবুরহাট একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকা হওয়ায় সড়ক সংকুচিত হয়ে সেখানে নিয়মিত যানজট তৈরি হচ্ছে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। এর ফলে যানবাহনের পাশাপাশি পথচারীদের চলাচলও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং জনদুর্ভোগ বাড়ছে। সরকারি জমি উচ্ছেদের পর আবার দখল করা এবং সড়ক ও ফুটপাতের ওপর স্থাপনা নির্মাণ করে চলাচলে বাধা সৃষ্টি করাকে আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচনার বিষয়টিও আদেশে তুলে ধরা হয়েছে।
আদালত সরকারি জমি দখলমুক্ত রাখা এবং যানবাহন ও পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। এ জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকায় সরেজমিনে তদন্ত করে অবৈধ স্থাপনাগুলো চিহ্নিত করতে হবে। একই সঙ্গে দখলদারদের পরিচয় ও ঠিকানাসহ বিস্তারিত তথ্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদালতে জমা দিতে হবে।
চাঁদপুর বাবুরহাট
কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!