ছবি: সংগৃহীত
চিফ প্রসিকিউটরের বক্তব্য অনুযায়ী, কাউকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হেফাজতে নেওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির করা এবং গ্রেপ্তার দেখানো না হলে সেটিকে সাধারণ আটক হিসেবে দেখার সুযোগ থাকবে না। ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার পরের সময়কে গুমের ঘটনা হিসেবে গণ্য করার আইনি সুযোগ তৈরি হবে।
এর আগে ৬ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’ পাস হয়। একই দিনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনও পাস হয়েছে। নতুন গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনকে গুমের অভিযোগের বিচার ও প্রতিকারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন চিফ প্রসিকিউটর।
চিফ প্রসিকিউটর জানান, অতীতে সংঘটিত গুমের অভিযোগগুলোও নতুন আইনের আলোকে পর্যালোচনা করা হবে। এতে ভুক্তভোগী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের বিচার পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!