তথ্য গোপনের অভিযোগে রিটকারী ও আইনজীবীকে জরিমানা ছবি: সংগৃহীত
একই বিষয়ে হাইকোর্টে একাধিক রিট দায়ের এবং মামলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপনের অভিযোগে রিটকারী মোহাম্মদ নুর আলম ও তার আইনজীবী সুফিয়া আহামেদকে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আপিল বিভাগ। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগসংক্রান্ত মামলার শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, রিটকারী ও তার আইনজীবীকে আলাদাভাবে ৫ লাখ টাকা করে জরিমানা দিতে হবে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে ওই অর্থ ঢাকা শিশু হাসপাতালে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মামলাটি যাত্রাবাড়ী থানার ৬৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিকাহ রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান মুরাদের নিয়োগের বৈধতাকে কেন্দ্র করে। তার নিয়োগ চ্যালেঞ্জ করে মোহাম্মদ নুর আলম হাইকোর্ট বিভাগে একাধিক রিট আবেদন করেন।
শুনানির সময় একই বিষয়ে একাধিক মামলা করার বিষয়টি আদালতের নজরে আসে। পাশাপাশি আগের মামলার তথ্য পরবর্তী রিটে উল্লেখ না করার অভিযোগও গুরুত্ব পায়। আদালতের বিবেচনায় এসব তথ্য গোপনের বিষয়টি রিটের গ্রহণযোগ্যতা ও বিচারিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ায় রিটকারী ও তার আইনজীবীর বিরুদ্ধে জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়।
আপিল বিভাগে নুর আলমের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এএম মাহাবুব উদ্দিন খোকন। নিকাহ রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান মুরাদের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী অনিক আর হক, সিনিয়র আইনজীবী মো. শিশির মনির এবং আইনজীবী অমিত দাশ গুপ্ত।
মামলার নথি অনুযায়ী, একই নিয়োগকে কেন্দ্র করে নুর আলমের করা একাধিক রিটের মধ্যে পূর্ববর্তী মামলার তথ্য গোপন করার অভিযোগই শেষ পর্যন্ত আপিল বিভাগের জরিমানার আদেশের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জরিমানার অর্থ জমা দিতে হবে।
রিটকারী আইনজীবী
কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!