যুক্তরাষ্ট্র   রবিবার ২৫ অক্টোবর ২০২৬,৯ কার্তিক ১৪৩৩

তিন কারা কর্মকর্তার সম্পদের হিসাব চেয়েছে দুদক, অনুসন্ধানে ৬৯ লাখ টাকার অসংগতি

সবুজ নিশান ডেস্ক

সবুজ নিশান ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৬ PM ৬২
তিন কারা কর্মকর্তার সম্পদের হিসাব চেয়েছে দুদক, অনুসন্ধানে ৬৯ লাখ টাকার অসংগতি

ছবি:সংগৃহীত

 সরকারি অর্থ আত্মসাৎ ও অনিয়মের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের বাইরে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে কারা বিভাগের তিন কর্মীর সম্পদের হিসাব চাওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

অভিযুক্ত তিনজন হলেন নড়াইল জেলা কারাগারের ডেপুটি জেলার সাইফুল ইসলাম, রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের ল্যাব টেকনিশিয়ান মো. রাফিকুল ইসলাম এবং একই কারাগারের ফ্যাক্টরি ওভারসিয়ার মো. জহুরুল ইসলাম।

দুদকের অনুসন্ধানে সাইফুল ইসলামের নামে ১১ লাখ ৪৯ হাজার ৫০০ টাকা, রাফিকুল ইসলামের নামে ১৪ লাখ ৯৯ হাজার ২২১ টাকা এবং জহুরুল ইসলামের নামে ৪১ লাখ ৫১ হাজার ৩৬৯ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। তিনজনের ক্ষেত্রে মোট অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ৬৮ লাখ ৯৯ হাজার ৯০ টাকা।

দুদক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি অর্থের অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে গিয়ে তিন কর্মকর্তার সম্পদের সঙ্গে তাঁদের বৈধ আয়ের অসামঞ্জস্যের বিষয়টি অনুসন্ধানে আসে। পরে সম্পদের উৎস ও আর্থিক হিসাব যাচাইয়ের জন্য পৃথক সম্পদ বিবরণী দাখিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(১) ধারায় তাঁদের বিরুদ্ধে পৃথক আদেশ জারির অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। এর আওতায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের নিজ নামে এবং তাঁদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের বিস্তারিত বিবরণ জমা দিতে হবে।

সম্পদ বিবরণী পাওয়ার পর ঘোষিত সম্পদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বৈধ আয় এবং আয়ের উৎসের সামঞ্জস্য যাচাই করবে দুদক। অনুসন্ধানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

দুর্নীতি দমন কমিশন সরকারি অর্থ আত্মসাৎ

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!