যুক্তরাষ্ট্র   বুধবার ২৭ মে ২০২৬,১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

জীবাশ্ম জ্বালানিমুক্ত ভবিষ্যতের দাবিতে ঢাকায় ‘গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইক’

সবুজ নিশান ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৮ মে ২০২৬, ০৮:৫৮ PM

৫০
জীবাশ্ম জ্বালানিমুক্ত ভবিষ্যতের দাবিতে ঢাকায় ‘গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইক’

জীবাশ্ম জ্বালানি বন্ধ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তরের দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইকে অংশ নেন তরুণ ও পরিবেশকর্মীরা। ছবি: সংগৃহীত

জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার বন্ধ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ার দাবিতে রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইক’

শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাব-এর সামনে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে অংশ নেন বিভিন্ন তরুণ সংগঠন, পরিবেশবাদী প্ল্যাটফর্ম এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।

এ কর্মসূচি ছিল বৈশ্বিক তরুণ জলবায়ু আন্দোলন Fridays For Future-এর আন্তর্জাতিক কর্মসূচির অংশ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, জলবায়ু সংকট এখন শুধু পরিবেশগত সমস্যা নয়, এটি মানবিক ও অর্থনৈতিক সংকটেও রূপ নিয়েছে।

তারা বলেন, বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে বাংলাদেশের অবদান খুবই কম হলেও জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় ক্ষতি ভোগ করছে দেশের মানুষ।

বক্তাদের মতে, জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর উন্নয়ন মডেল থেকে সরে এসে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে দ্রুত ও ন্যায়সঙ্গত রূপান্তর এখন সময়ের দাবি।

ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)-এর সদস্য সচিব শরীফ জামিল বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট প্রমাণ করেছে যে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিরাপত্তা আমদানিনির্ভর কয়লা ও গ্যাসে নয়।

তিনি সৌরবিদ্যুৎ সরঞ্জামের ওপর কর প্রত্যাহার এবং উপকূলীয় এলাকায় খালি জমিতে সৌর ও বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের আহ্বান জানান।

Sher-e-Bangla Agricultural University-এর শিক্ষক মীর মোহাম্মদ আলী বলেন, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কারণে কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং নদীর পানি দূষিত হচ্ছে।

এর ফলে মাছ উৎপাদন কমছে এবং উপকূলীয় অঞ্চলের জেলেরা জীবিকা হারাচ্ছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

Fridays For Future Bangladesh-এর সমন্বয়ক এবং Brighters-এর প্রতিষ্ঠাতা সাইদুর রহমান সিয়াম বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা দেশের অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য বড় ঝুঁকি।

তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে দ্রুত রূপান্তরই দীর্ঘমেয়াদি টেকসই সমাধান।

Volunteer for Environment-এর তরুণ প্রতিনিধিরা বলেন, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরও বড় সংকটের মুখোমুখি হতে হবে।

আয়োজকরা জীবাশ্ম জ্বালানির সম্প্রসারণ বন্ধ, জলবায়ু অর্থায়ন বৃদ্ধি, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন নীতি বাস্তবায়নের দাবি জানান।

জলবায়ু_সংকট গ্লোবাল_ক্লাইমেট_স্ট্রাইক নবায়নযোগ্য_জ্বালানি

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!