রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে কথা বলছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছবি: সংগৃহীত
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেওয়ার আগে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও জনকল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে ওঠার প্রত্যাশা জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) টেলিফোনে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি নিজের প্রত্যাশার কথা জানান।
মির্জা ফখরুল বলেন, তিনি এমন একটি বাংলাদেশ দেখতে চান যেখানে প্রান্তিক ও শ্রমজীবী মানুষ দুবেলা খাবার, সুস্থ পরিবেশ এবং নিরাপদ জীবনযাপনের সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে দেশের বড় তরুণ জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান এবং নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশকে জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রে পরিণত করার বিষয়ে তিনি আশাবাদী।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রাক্কালে দেশবাসী, গণমাধ্যম এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মির্জা ফখরুল। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে পাশে থাকার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান মির্জা ফখরুল। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রত্যাশিত গন্তব্যে পৌঁছাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
নিজের রাজনৈতিক জীবনের পরিবর্তন প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, অনেক কিছু তিনি মিস করবেন। একই সঙ্গে সবার সুস্থতা, নিরাপত্তা ও কল্যাণ কামনা করে কল্যাণমুখী রাষ্ট্র নির্মাণে সরকারকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের এই সময়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কথা বিশেষভাবে স্মরণ করেন মির্জা ফখরুল। তাঁর সঙ্গে পাওয়া সান্নিধ্য ও স্নেহের কথা উল্লেখ করে আবেগ প্রকাশ করেন তিনি।
মির্জা ফখরুলের রাজনৈতিক জীবনের প্রসঙ্গ তুলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভাসানী ন্যাপের রাজনীতির মধ্য দিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর পথচলা শুরু হয়। পরে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক পরিক্রমায় দলটির মহাসচিবের দায়িত্ব পান।
২০০১ সালে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালন করেন। উৎসে তাঁকে পরবর্তী সময়ে তারেক রহমানের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে।
মির্জা ফখরুল
কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!