যুক্তরাষ্ট্র   মঙ্গলবার ৬ অক্টোবর ২০২৬,২০ আশ্বিন ১৪৩৩

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে ৪ লাখ ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

সবুজ নিশান ডেস্ক

সবুজ নিশান ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১২ PM ১১
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে ৪ লাখ ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

ঘুমধুম সীমান্তে উদ্ধার করা ইয়াবা। ছবি: সংগৃহীত

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৪ লাখ ২০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধার করা মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ১২ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

রোববার (৪ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পশ্চিমকুল রুহুলের দোকান-কাটাপাহাড় সীমান্তসংলগ্ন নয়াপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে ইয়াবার চালান বহনকারীরা মালামাল ফেলে রাতের অন্ধকার ও পানির মধ্য দিয়ে মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়। ফলে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

বিজিবি সূত্র জানায়, মিয়ানমার থেকে বড় একটি ইয়াবার চালান বাংলাদেশে ঢোকার তথ্য পাওয়ার পর তুমব্রু বিওপির একটি বিশেষ টহল দল সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নেয়। কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) অধিনায়কের নির্দেশনায় শনিবার সকাল ৯টার দিকে সীমান্তের প্রায় ১১০ গজ ভেতরে নয়াপাড়া এলাকায় অবস্থান নেন সদস্যরা।

পরে ভোরে থার্মাল ইমেজারের মাধ্যমে সীমান্ত এলাকায় কয়েকজনের গতিবিধি শনাক্ত করা হয়। বিজিবির ৫-৬ সদস্য তাদের দিকে এগিয়ে গেলে চোরাকারবারিরা ব্যাগ ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে লুঙ্গিতে মোড়ানো তিনটি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। ব্যাগগুলো খুলে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা পাওয়া যায়।

কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম পিবিজিএম, পিএসসি জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তুমব্রু সীমান্তে বিশেষ অভিযান চালানো হয়। বিজিবির উপস্থিতি বুঝতে পেরে চোরাকারবারিরা ইয়াবার চালান ফেলে মিয়ানমারে পালিয়ে যায়। তাদের শনাক্ত ও আটকের জন্য গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

বিজিবি জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশি বিভিন্ন চোরাকারবারি চক্র মিয়ানমারের পাচারকারীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে সীমান্ত দিয়ে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক পাচারের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে ৩৪ বিজিবির নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উদ্ধার করা ইয়াবার বিষয়ে আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি পালিয়ে যাওয়া চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান বন্ধে অভিযান আরও জোরদার রাখার কথা জানিয়েছে বিজিবি। কক্সবাজার রিজিয়ন ও রামু সেক্টরের নির্দেশনায় ৩৪ বিজিবি সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে কাজ করছে।

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!