যুক্তরাষ্ট্র   শুক্রবার ১৬ অক্টোবর ২০২৬,৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন ক্লিনিকের অনুমোদন বন্ধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সবুজ নিশান ডেস্ক

সবুজ নিশান ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৭ PM ৫৭
সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন ক্লিনিকের অনুমোদন বন্ধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন; ছবি: সংগৃহীত

সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন করে কোনো ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে আগে অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ম অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা না করলে সেগুলোর অনুমোদনও বাতিল করে বন্ধ করে দেওয়ার কথা জানান তিনি।

মঙ্গলবার সকালে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, আগের সরকারের সময়ে বিপুলসংখ্যক ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। বর্তমান সরকার সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন ক্লিনিক অনুমোদনের প্রক্রিয়া পুরোপুরি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানান তিনি।

সাপের কামড়ে রোগী মৃত্যুর প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে প্রয়োজনীয় অ্যান্টিভেনম মজুত থাকলেও অনেক রোগী হাসপাতালে পৌঁছাতে দেরি করেন। দংশনের পর বিষধর সাপের কামড় হয়েছে কি না, তা নির্ধারণে রোগীকে কিছু সময় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। তবে হাসপাতালে পৌঁছাতে বিলম্ব হলে রোগীর শারীরিক অবস্থা গুরুতর হয়ে উঠতে পারে।

সাপের দংশনের পর দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দেরি না করে আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। তাঁর দাবি, দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে।

গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, আগামী অক্টোবর থেকে ৫০ শয্যার এই হাসপাতালকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার কাজ শুরু হবে। আগামী দুই বছরের মধ্যে সেখানে একই সময়ে ১০ জন রোগীর ডায়ালাইসিস দেওয়ার সুবিধা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

এ ছাড়া হাসপাতালটিতে আধুনিক প্যাথলজি ল্যাব স্থাপনের পাশাপাশি পুরুষ ও নারীদের জন্য পৃথক ফিজিওথেরাপি সেন্টার চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এসব কাজ আগামী দুই বছরের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

পরিদর্শনের সময় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন অনিয়মের বিষয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। এসব সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

এ সময় মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন, গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফছা নাদিয়া, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শারমিন তিথি এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার নুসরাত ফারজানা খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!