ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত রাফেজ আহমেদকে হাসপাতালে নেওয়া হয়; ছবি: সংগৃহীত
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুরে ঝালমুড়ি কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে কথা-কাটাকাটির জেরে ছুরিকাঘাতে গাজী রাফেজ আহমেদ (৩৫) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পর মো. আতাউর রহমান (৪০) নামে এক ঝালমুড়ি বিক্রেতাকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে কাশিমপুর থানার চক্রবর্তীটেক এলাকার বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের ২ নম্বর গেটসংলগ্ন নুরু মার্কেট এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, ঝালমুড়ি কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে রাফেজ আহমেদের সঙ্গে আতাউর রহমানের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আতাউর তাঁর দোকানে ব্যবহৃত মরিচ-পেঁয়াজ কাটার ছুরি দিয়ে রাফেজের পেটে আঘাত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত রাফেজ মাটিতে পড়ে গেলে তাঁর চিৎকারে আশপাশের লোকজন সেখানে জড়ো হন। স্থানীয় বাসিন্দা মহর আলীর ভাষ্য অনুযায়ী, এ সময় উপস্থিত লোকজন প্রতিবাদ করলে আতাউর আরও দুজনকে ছুরিকাঘাত করেন। আহত দুজনকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।
রাফেজ আহমেদকে প্রথমে কেপিজে স্পেশালাইজড হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত রাফেজ আহমেদ খুলনার পাইকগাছা উপজেলার বাসাখালি গ্রামের গাজী খোরশেদ আলমের ছেলে। অন্যদিকে অভিযুক্ত আতাউর রহমান গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ফলগাছ গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে। তিনি কাশিমপুরের দক্ষিণ পানিশাইল এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে ঝালমুড়ি বিক্রি করতেন।
কাশিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা মোহাম্মদ খালিদ হোসেন জানান, স্থানীয় বাসিন্দারা আতাউর রহমানকে আটক করে পুলিশের কাছে তুলে দিয়েছেন। তাঁর কাছ থেকে ঘটনায় ব্যবহৃত ধারালো ছুরিটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!