যুক্তরাষ্ট্র   বুধবার ১৪ অক্টোবর ২০২৬,২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

চুয়েটে সাবেক উপাচার্যকে ফেরানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের গণস্বাক্ষর

সবুজ নিশান ডেস্ক

সবুজ নিশান ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০২ PM ৫২
চুয়েটে সাবেক উপাচার্যকে ফেরানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের গণস্বাক্ষর

চুয়েটের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সাবেক উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবিতে গণস্বাক্ষর করছেন শিক্ষার্থীরা; ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) উপাচার্য পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে স্বপদে ফিরিয়ে আনার দাবিতে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করেন তারা।

সকাল ১১টা ২০ মিনিটের দিকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা সারিবদ্ধভাবে অংশ নেন। প্রত্যেকে নিজেদের শিক্ষার্থী পরিচয়পত্রের নম্বর উল্লেখ করে স্বাক্ষর করেন। আন্দোলনকারীদের ভাষ্য, সংগৃহীত স্বাক্ষর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দেওয়া হবে।

যন্ত্রকৌশল বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফারহান হাসনাত আদিব বলেন, ২১ সেপ্টেম্বর কোনো নোটিশ ছাড়াই অধ্যাপক সায়েমকে উপাচার্যের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এর প্রতিবাদে সেদিন রাতেই ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। পরদিন থেকে শাটডাউন কর্মসূচি শুরু হয় এবং বুধবার গণস্বাক্ষরের মাধ্যমে আন্দোলন আরও এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার কথা জানান তিনি।

এর আগে ২১ সেপ্টেম্বর রাতে অধ্যাপক সায়েমকে সরিয়ে কুয়েটের অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের নতুন উপাচার্য নিয়োগের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এ সিদ্ধান্ত প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেন। পরে তারা উপাচার্য ভবনে তালা ঝুলিয়ে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা দেন।

পরদিন ২২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষার্থীরা সর্বাত্মক শাটডাউন ও গণঅবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। বুধবারও আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন এবং বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।

শিক্ষার্থীদের দাবি, অধ্যাপক সায়েমকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগের সিদ্ধান্ত বাতিল করে তাঁকে আবার চুয়েটের উপাচার্য পদে ফিরিয়ে দিতে হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

তবে উপাচার্য পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ প্রতিবেদনে কোনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা বা বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ও দাবিগুলো তাদের বক্তব্য হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে।

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!