যুক্তরাষ্ট্র   বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬,১ আশ্বিন ১৪৩৩

লিথুয়ানিয়ার সঙ্গে প্রযুক্তি ও সাইবার নিরাপত্তায় সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০৪:২৪ PM ৫১
লিথুয়ানিয়ার সঙ্গে প্রযুক্তি ও সাইবার নিরাপত্তায় সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা ও ফিনটেক খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এসব খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

রোববার (১৬ আগস্ট) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত লিথুয়ানিয়ার অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত ডায়ানা মিকেভিচিয়েনের বৈঠকে এসব বিষয় উঠে আসে। বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খানও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে দুই দেশের বর্তমান বাণিজ্য পরিস্থিতি, বিনিয়োগের সম্ভাবনা এবং প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন খাতে অংশীদারত্ব বাড়ানোর সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার মধ্যে বর্তমানে বাণিজ্যের পরিমাণ তুলনামূলক কম হলেও সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের দ্রুত বিকাশমান তথ্যপ্রযুক্তি খাত, দক্ষ তরুণ জনশক্তি এবং ফ্রিল্যান্সিং খাতে সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে লিথুয়ানিয়ার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো দক্ষিণ এশিয়ার বাজারে তাদের কার্যক্রম বাড়াতে পারে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ বিদেশি বিনিয়োগের জন্য একটি সম্ভাবনাময় গন্তব্য। বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ প্রত্যাহার এবং মুনাফা নিজ দেশে নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বৈঠকে লিথুয়ানিয়ার রাষ্ট্রদূত ডায়ানা মিকেভিচিয়েন জানান, লিথুয়ানিয়া লেজার প্রযুক্তি, গভটেক ও ফিনটেক খাতে উল্লেখযোগ্য সক্ষমতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তর, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা দিতে আগ্রহী দেশটি।

রাষ্ট্রদূত বলেন, দুই দেশের সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে উঠলে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার মধ্যে বাণিজ্য বাড়াতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া, ব্যবসায়ী পর্যায়ে যোগাযোগ জোরদার এবং প্রযুক্তিনির্ভর খাতে যৌথ উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!