যুক্তরাষ্ট্র   শুক্রবার ১৬ অক্টোবর ২০২৬,৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

বাকলিয়ার সংঘর্ষে মুরাদসহ আরও ৩ জন গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৬ PM ৩৬
বাকলিয়ার সংঘর্ষে মুরাদসহ আরও ৩ জন গ্রেপ্তার

বাকলিয়ায় সংঘর্ষের ঘটনায় গ্রেপ্তার তিনজন। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, গোলাগুলি ও ভাঙচুরের ঘটনায় যুবদল কর্মী মো. মুরাদসহ আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে বাকলিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। এ নিয়ে ওই ঘটনায় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ জনে।

গ্রেপ্তার অন্য দুজন হলেন মো. সুমন ও রুহুল আমিন। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মুরাদ চান্দগাঁও থানা যুবদলের একজন সদস্য। নগর পুলিশের মুখপাত্র আমিনুর রশিদ বুধবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তাঁদের গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, বাকলিয়ার সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মুরাদ এজাহারের এক নম্বর আসামি। সিএমপির বিভিন্ন থানায় তাঁর বিরুদ্ধে ১৬টি মামলা রয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

এর আগে রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাকলিয়া থানার সৈয়দ শাহ সড়কের মোরশেদ টাওয়ারের সামনে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। ওই সময় দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং সিএনজি অটোরিকশা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, মুরাদ ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হিসেবে পরিচিত জসিমের অনুসারীদের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ ছিল। সংঘর্ষের রাতে দুই পক্ষ লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে পরস্পরের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়।

স্থানীয়দের দাবি, মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ, জায়গা দখল ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের বিরোধের সূত্রপাত। আগের এক প্রতিবেদনে পুলিশও মাদক ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তারকে বিরোধের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

ঘটনার সময় কয়েকটি বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দ শোনার কথা জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতেও সড়কে দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

পুলিশ বলছে, সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ এবং গোলাগুলির সঙ্গে কারা জড়িত, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!