মিরপুর-১০ এলাকায় ফুটপাত উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সময় হকারদের সঙ্গে পুলিশ ও সিটি করপোরেশনের কর্মীদের উত্তেজনা। ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকায় ফুটপাত উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তিনটি মামলা করেছে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ। এসব মামলায় অজ্ঞাতনামা ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে দুই মামলার বাদী পুলিশ সদস্যরা। মামলাগুলোর তদন্তের অংশ হিসেবে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপকমিশনার ও মুখপাত্র মো. আকতার হোসেন এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি, নাশকতা, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে তিনটি মামলা করা হয়েছে। মামলাগুলোর পর বুধবারের সংঘর্ষের পর মিরপুর ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ২৬ জনকে আটক করা হয়।
ঘটনার সূত্রপাত বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে। ওই দিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর থেকে হোপ মার্কেটের দিকে ফুটপাতের অবৈধ দখল উচ্ছেদে অভিযান শুরু করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলীর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মীরা অংশ নেন।
অভিযানের সময় হোপ মার্কেটের কাছে বায়তুল কুদ্দুস জামে মসজিদ মার্কেটের নিচে থাকা ভাসমান দোকান সরানোর কাজ চলছিল। স্থানীয় দোকানি ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, এ সময় ভেকুর আঘাতে বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে আগুনের সূত্রপাত হয়।
আগুনে মার্কেটের পাঁচটি দোকান পুড়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এরপর আগুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বাড়ে। একপর্যায়ে সংঘর্ষের পাশাপাশি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পরে এসব ঘটনায় মিরপুর মডেল থানায় তিনটি মামলা করা হয়। মামলাগুলোর ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে এখন পর্যন্ত ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!