গল্পের আলোকে প্রতীকী ছবি।
পরদিন সকালে শহরে নতুন খবর ছড়াল।
আরেকটি স্কুলের সামনে লাল বেলুন পাওয়া গেছে।
আর সাথে একটি ছোট কাগজ—
“যে আমাকে খুঁজবে, সে নিজের ছায়াকে হারাবে।”
নাঈম এবার আর অপেক্ষা করল না।
সে সিদ্ধান্ত নিল—এই বার সে সরাসরি ফাঁদ পাতবে।
সে স্কুলের চারপাশে গোপনে পুলিশ বসাল।
নিজে দাঁড়াল মূল গেটের কাছে।
ঘড়ির কাঁটা বিকেল ৪টা ছুঁতেই বাতাস ভারী হয়ে গেল।
শিশুরা বের হতে শুরু করল।
সব স্বাভাবিক… যতক্ষণ না একটি লাল বেলুন হঠাৎ গেটের সামনে ভেসে উঠল।
একটি ছোট মেয়ে থেমে গেল।
তার চোখ বেলুনে আটকে গেল।
নাঈম চিৎকার করল, “থামো!”
কিন্তু সেই মুহূর্তে—
বাতাসে একটা অদ্ভুত শব্দ হলো।
আর মেয়েটি যেন এক মুহূর্তের জন্য থমকে গিয়ে… দিক পরিবর্তন করল।
নাঈম দৌড়ে গেল।
কিন্তু রাস্তায় কিছুই নেই।
শুধু এক জোড়া ভেজা পায়ের ছাপ…
আর বেলুনের সুতোটা নদীর দিকে যাচ্ছে।
নাঈম ছুটতে ছুটতে নদীর পাড়ে পৌঁছাল।
সেখানে দাঁড়িয়ে ছিল একটি ছায়া।
কালো কোট… টুপি… মুখ দেখা যায় না।
সে ধীরে ধীরে হাত তুলল।
“তুমি দেরি করেছো, পুলিশ অফিসার।”
তারপর ছায়াটা পানির দিকে হেঁটে গেল…
আর চোখের সামনে মিলিয়ে গেল।
নাঈম প্রথমবার বুঝল—
এই অপরাধী শুধু পালায় না…
সে ইচ্ছা করে ধরা দেয় না।
সে খেলছে।
কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!