গাইবান্ধা জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক মাজেদুর রহমান বলেছেন, লাল কার্ড দেখিয়ে জনগণ ফ্যাসিবাদকে বিতাড়িত করেছে। আগামী নির্বাচনে যারা ফ্যাসিবাদের পোশাক পরে ক্ষমতায় যেতে চায়, তাদেরকেও আবার লাল কার্ড দেখাতে হবে। আপনারা কি প্রস্তুত আছেন?
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার এস এম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দশ দলীয় ঐক্যজোট আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা যদি গাইবান্ধার পাঁচটি আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীককে বিজয়ী করতে পারি, তাহলে আমিরে জামায়াতকে গাইবান্ধার পাঁচটি আসনের সংসদ সদস্য উপহার দিতে পারবো। আমাদের গাইবান্ধার জন্য নতুন কিছু দাবি রয়েছে। বালাসিঘাট থেকে ময়মনসিংহের বাহাদুরাবাদ পর্যন্ত যমুনা নদীর ওপর একটি সেতু চাই। আপনারা কি এই সেতু চান?
তিনি আরও বলেন, গাইবান্ধায় এখনো কোনো মানসম্মত বিশ্ববিদ্যালয় নেই, মেডিকেল কলেজ নেই, ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় নেই। আপনারা কি চান এগুলো গাইবান্ধায় হোক? যদি চান, তাহলে গাইবান্ধার পাঁচটি আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীককে বিপুল ভোটে বিজয়ী করতে হবে। প্রয়োজনে আবারও রক্ত দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
অধ্যাপক মাজেদুর রহমান বলেন, যারা গণভোটে ‘না’-এর পক্ষে কথা বলছে, তারা ভারতের দালাল। এই দালালদের আর বাংলাদেশে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে দেওয়া হবে না।
জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল হালিম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপা সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা, এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম জুয়েলসহ দশ দলীয় ঐক্য জোটের শীর্ষ নেতারা।
গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা নজরুল ইসলাম লেবুর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের সাবেক আমীর ও গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. আব্দুর রহিম সরকার, জেলা জামায়াতের আমীর ও গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আব্দুল করিম, নায়েবে আমীর ও গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেস, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জহুরুল হক সরকার, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল, গাইবান্ধা জেলা শিবিরের সভাপতি ফেরদৌস সরকার রুম্মান এবং এলডিপির জেলা সভাপতি শরিফুল ইসলাম প্রমুখ।
কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!