যুক্তরাষ্ট্র   বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬,১ আশ্বিন ১৪৩৩

বুলবুল হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৪৪ PM ৪৯
বুলবুল হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ ছবি: সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে জাহিদ হাসান বুলবুল হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের নেতাকর্মীরা। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মদনপুর এলাকায় মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে তারা কর্মসূচি শুরু করেন।

বিক্ষোভের সময় সড়কে টায়ার জ্বালানো হয়। এতে যান চলাচল ব্যাহত হয়ে মহাসড়কের ওই অংশে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়। সকাল পৌনে ১১টার দিকে বিক্ষোভকারীরা সড়ক থেকে সরে গেলে যান চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের বন্দর উপজেলা শাখার যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন বুলবুল। সংগঠনের নেতাকর্মীরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত সবাইকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে মহাসড়ক থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ করে। বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল হোসেন জানান, আন্দোলনকারীদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বন্দরের সালেহনগর এলাকায় জাহিদ হাসান বুলবুলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ শহরের ১০০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পরিবারের অভিযোগ, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় সালেহনগরে বুলবুলের রিকশা গ্যারেজে লুটপাটের ঘটনায় তিনি বন্দর থানায় মামলা করেছিলেন। ওই মামলায় সিফাতকে প্রধান আসামি করা হয়। মামলা প্রত্যাহারের জন্য বুলবুলকে বিভিন্ন সময়ে হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে পরিবারের সদস্যদের দাবি।

তাদের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাতে সালেহনগর এলাকায় বুলবুলের সঙ্গে সিফাত ও তার সহযোগীদের দেখা হলে মামলা তুলে নেওয়া নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বুলবুলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করা হয়।

হত্যাকাণ্ডের পর প্রধান অভিযুক্ত সিফাতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বন্দর থানার ওসি জামাল হোসেন বলেন, তাকে ঘটনার রাতেই গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থল ও আশপাশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান করছেন।

তবে বুলবুল হত্যার পেছনে মামলা প্রত্যাহারের চাপই মূল কারণ ছিল কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার বিষয়।

ইসলামী যুব আন্দোলন

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!