যুক্তরাষ্ট্র   বুধবার ২৯ জুলাই ২০২৬,১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারতে স্বাগত জানাতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি: ভারতীয় হাইকমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:০২ PM

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারতে স্বাগত জানাতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি: ভারতীয় হাইকমিশনার

ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারতে স্বাগত জানানোর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে ভারত বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

বুধবার (২৯ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের বিষয়ে জানতে চাইলে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বিষয়টি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকারের ওপর নির্ভর করছে। তবে ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সরকারপ্রধানকে স্বাগত জানানোর জন্য তারা অপেক্ষায় রয়েছেন। খুব শিগগিরই সফরটি বাস্তবায়িত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের ১৮তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ব্রিকসের সদস্য না হলেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিশেষ অতিথি হিসেবে সম্মেলনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

এর আগে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এটি নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে তার প্রথম বৈঠক।

সাক্ষাৎ শেষে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বৈঠকটি অত্যন্ত ইতিবাচক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুই দেশের মূল লক্ষ্য ও স্বার্থের মধ্যে মিল রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইতিহাস, সংস্কৃতি ও খেলাধুলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক গভীর।

তিনি বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মানুষের পারস্পরিক কল্যাণের ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ভিসা কার্যক্রম চালুর বিষয়েও তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আশা করেন, এতে দুই দেশের মানুষ উপকৃত হবে।

দুই দেশের সম্পর্ককে ঐতিহাসিক উল্লেখ করে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত শুধু সীমান্ত ভাগাভাগি করে না, বরং ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ভবিষ্যতের স্বপ্নও ভাগ করে নেয়।

তিস্তা ও গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এদিনের বৈঠকটি মূলত সৌজন্যমূলক ছিল। তবে পারস্পরিক বোঝাপড়া থাকলে যেকোনো সমস্যার সমাধান সম্ভব। দুই দেশের মানুষের কল্যাণই আলোচনার মূল বিষয় হওয়া উচিত।

তিনি আরও জানান, পানি বণ্টন ইস্যুতে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ কাজ করছে। আলোচনার মাধ্যমে এসব বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!