যুক্তরাষ্ট্র   শুক্রবার ৩১ জুলাই ২০২৬,১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

কেরানীগঞ্জে ইয়াবা তৈরির কারখানায় র‍্যাবের অভিযান, গ্রেপ্তার ৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৭ PM

কেরানীগঞ্জে ইয়াবা তৈরির কারখানায় র‍্যাবের অভিযান, গ্রেপ্তার ৪

ছবি : সংগৃহীত

ঢাকার কেরানীগঞ্জে ইয়াবা তৈরির একটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১০। এ সময় ইয়াবা, কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।

ঢাকার কেরানীগঞ্জে একটি ইয়াবা তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১০। অভিযানে ইয়াবা তৈরির কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি এবং প্রস্তুত করা মাদক জব্দ করা হয়েছে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‍্যাব-১০ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহা. আসাদুজ্জামান।

র‍্যাব জানায়, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার মধ্যচর দক্ষিণ বালুচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইয়াবা তৈরির সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের সন্ধান পাওয়া যায়। পরে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. আলমগীর ওরফে আন্ডে (৪০), মো. আলী আরমান (৩৬), মো. শাহজাহান (৪০) এবং সোনিয়া (৩০)।

অভিযানে ১ হাজার ৯৬৮ পিস ইয়াবা, বিভিন্ন ধরনের পাউডারজাত কাঁচামাল, ইয়াবা তৈরির সরঞ্জাম, পাঁচটি মোবাইল ফোন এবং একটি ওজন পরিমাপক যন্ত্র জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

র‍্যাব-১০ এর অধিনায়ক জানান, ইয়াবা তৈরিতে ব্যবহৃত কিছু উপকরণ সাধারণত বৈধভাবে বিভিন্ন শিল্পে ব্যবহৃত হয়। তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা এসব উপকরণ ব্যবহার করে অবৈধভাবে ইয়াবা উৎপাদনের কৌশল তৈরি করেছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে আলমগীরের বিরুদ্ধে রাজধানীর রামপুরা, কামরাঙ্গীরচর ও মোহাম্মদপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তিনটি মামলা রয়েছে। র‍্যাবের দাবি, গ্রেপ্তাররা সবাই পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী এবং প্রায় দুই বছর ধরে এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চক্রটির ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় মাদক সরবরাহের নেটওয়ার্ক থাকার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব। বিশেষ করে কামরাঙ্গীরচর ও পুরান ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় তাদের কার্যক্রম পরিচালিত হতো বলে ধারণা করা হচ্ছে।

র‍্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ইয়াবা তৈরির উৎস, কাঁচামাল সংগ্রহ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!