সিদ্দিকী নাজমুল আলম, ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেওয়া হয়েছে।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন। দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ জাফর সাদেক শিবলী আদালতে আবেদনটি করেন।
দুদকের আবেদনে বলা হয়, নাজমুল আলমের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে নিজের ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে অবৈধভাবে অর্থ জমা রেখে তা বৈধ করার চেষ্টা এবং বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগও অনুসন্ধান করছে সংস্থাটি।
আবেদনে আরও বলা হয়, অনুসন্ধান চলাকালে নাজমুল আলম দেশ ছেড়ে অন্য দেশে চলে যাওয়ার চেষ্টা করছেন—এমন তথ্য বিশ্বস্ত সূত্রে পাওয়া গেছে। অনুসন্ধান কার্যক্রম যেন বাধাগ্রস্ত না হয়, সে কারণে অভিযোগের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা চায় দুদক।
আবেদনে নাজমুল আলমের পিতা সিদ্দিকী খায়েরুল আলম ও মাতা এস এম নসিমা বেগমের নামের পাশাপাশি তার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানার তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছে।
সিদ্দিকী নাজমুল আলম ২০১১ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ।
২০১৫ সালে ছাত্রলীগের নতুন কমিটি গঠনের পর তার দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র আন্দোলন ও আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।
কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!