মেটা। ছবি: সংগৃহীত
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি ডিপফেক ভিডিও এবং কপি-পেস্ট কনটেন্ট প্রতিরোধে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে মেটা। নতুন নিয়মে ফেসবুক ব্যবহারকারীরা একটি সেন্ট্রালাইজড ড্যাশবোর্ড থেকে সহজেই রিপাবলিশ বা ফ্ল্যাগ করা ভিডিও রিপোর্ট করতে পারবেন। এই রিপোর্টের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ভিডিওর রিচ বা প্রচার সীমিত করা হতে পারে।
এছাড়া, ‘অরিজিনাল ভিডিও’ সংজ্ঞা নতুন করে নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন থেকে কনটেন্ট ক্রিয়েটররা যদি নিজস্বভাবে তৈরি ভিডিও বা অন্য ভিডিও ব্যবহার করে মূল বিষয় পরিবর্তন না করেন, তাহলে তা আর ‘অরিজিনাল’ হিসেবে গণ্য হবে না। ফলে এই ধরনের কনটেন্টের রিচ কমে যাবে এবং সহজে ভিউ, লাইক ও কমেন্ট পাওয়া কঠিন হবে।
মেটা নতুন টুলের মাধ্যমে ডিপফেক ও এআই-নির্ভর কনটেন্ট শনাক্ত করার প্রক্রিয়াও শক্তিশালী করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই উদ্যোগ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়া তথ্য ছড়ানো কমাতে সাহায্য করবে এবং প্রকৃত ক্রিয়েটররা বেশি গুরুত্ব পাবেন। তবে অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণের কারণে ছোট কনটেন্ট নির্মাতাদের রিচ কমে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, নতুন গাইডলাইন ক্রিয়েটরদের মৌলিক ও মানসম্মত কনটেন্ট তৈরির দিকে বেশি মনোযোগ দিতে প্রলুব্ধ করবে, যা দীর্ঘমেয়াদে সোশ্যাল মিডিয়ায় তথ্যের গুণগত মান উন্নত করবে।
মেটা কনটেন্ট গাইডলাইন ফেসবুক ডিপফেক ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ
কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!