যুক্তরাষ্ট্র   শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬,২ আশ্বিন ১৪৩৩

৩০ আগস্ট উৎক্ষেপণের লক্ষ্য নাসার রোমান স্পেস টেলিস্কোপের

সাইফুল ইসলাম জয়

সাইফুল ইসলাম জয়

প্রকাশিত: ২৪ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৩১ PM ৪০
৩০ আগস্ট উৎক্ষেপণের লক্ষ্য নাসার রোমান স্পেস টেলিস্কোপের

নাসার ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ। ছবি: সংগৃহীত

মহাবিশ্বের রহস্য অনুসন্ধানে নতুন মহাকাশ টেলিস্কোপ পাঠানোর প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে নিয়েছে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা। ‘ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ’ নামের এই অত্যাধুনিক পর্যবেক্ষণযন্ত্রটি আগামী ৩০ আগস্ট মহাকাশে পাঠানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টা ২৬ মিনিটের পর টেলিস্কোপটির উৎক্ষেপণ হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় অবস্থিত নাসার কেনেডি স্পেস সেন্টারের লঞ্চ কমপ্লেক্স ৩৯এ থেকে স্পেসএক্সের ফ্যালকন হেভি রকেটের মাধ্যমে এটি উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা রয়েছে। বিজ্ঞানবিষয়ক সংবাদমাধ্যম সায়েন্সডেইলি ডটকম সোমবার (২৪ আগস্ট) এ তথ্য জানিয়েছে।

উৎক্ষেপণের আগে গত ২১ আগস্ট ফ্লোরিডায় রোমান টেলিস্কোপ মিশনের গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি পর্যালোচনা করা হয়। ‘ফ্লাইট রেডিনেস রিভিউ’ নামের ওই পর্যালোচনায় নাসা, টেলিস্কোপ প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত দল এবং স্পেসএক্সের কর্মকর্তারা অংশ নেন। সেখানে মহাকাশযান, রকেট ও উৎক্ষেপণস্থলসহ মিশনের সার্বিক প্রস্তুতি পরীক্ষা করা হয়।

পর্যালোচনা শেষে মিশন কর্মকর্তারা জানান, উৎক্ষেপণের আগের শেষ ধাপের কাজের জন্য টেলিস্কোপ প্রস্তুত রয়েছে। বর্তমানে ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপটি ফ্যালকন হেভি রকেটের বিশেষ সুরক্ষা আবরণের ভেতরে রাখা হয়েছে।

নাসার এই টেলিস্কোপকে নতুন প্রজন্মের মহাকাশ পর্যবেক্ষণযন্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো একই সময়ে আকাশের বিস্তৃত একটি অংশ পর্যবেক্ষণ করতে পারা। ফলে মহাবিশ্বের গঠন, বিবর্তন ও পরিবর্তন সম্পর্কে বড় পরিসরে তথ্য সংগ্রহের সুযোগ তৈরি হবে।

রোমান টেলিস্কোপের মাধ্যমে মহাবিশ্ব কীভাবে বিবর্তিত হয়েছে, কেন এটি ক্রমাগত প্রসারিত হচ্ছে এবং এর ইতিহাস কী—এসব বিষয়ে গবেষণা করবেন বিজ্ঞানীরা। পাশাপাশি সৌরজগতের বাইরের গ্রহ বা এক্সোপ্ল্যানেট নিয়েও গবেষণা চালানো হবে।

দূরবর্তী এসব গ্রহ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে গ্রহগুলোর বৈশিষ্ট্য ও মহাবিশ্বের বৃহত্তর কাঠামো সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের জ্ঞান আরও সমৃদ্ধ হবে বলে আশা করছে নাসা। একই সঙ্গে একসঙ্গে আকাশের বড় এলাকা পর্যবেক্ষণের সক্ষমতা মহাকাশ গবেষণায় নতুন তথ্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি করতে পারে।

নাসা টেলিস্কোপ মহাকাশ

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!