ছবি:সংগৃহীত
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর শনির আখড়া এলাকায় ১০ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। পেটে ব্যথা নিয়ে বাথরুমে যাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে অচেতন হয়ে পড়লে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তবে শিশুটির গলায় দাগ পাওয়ায় মৃত্যুর কারণ নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে রিয়াকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক পরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য তার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
রিয়া স্থানীয় উইলস লিটন কিন্ডার গার্টেনের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবা রুবেল। তাদের গ্রামের বাড়ি গাজীপুরের কাপাসিয়া এলাকায়। বর্তমানে পরিবারটি যাত্রাবাড়ীর শনির আখড়ায় বসবাস করছে।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার দুপুর ১টার দিকে পেটে ব্যথার কথা জানিয়ে রিয়া বাসার বাথরুমে যায়। কিছুক্ষণ পর সেখানে পড়ে গিয়ে অসুস্থ ও অচেতন হয়ে পড়ে সে।
পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। চিকিৎসক পরীক্ষা করার পর শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
রিয়ার বাবা জানান, হাসপাতালে নেওয়ার পর মেয়ের গলায় একটি দাগ দেখতে পান তারা। চিকিৎসকেরাও বিষয়টি লক্ষ্য করেন। তবে ওই দাগ কীভাবে হয়েছে বা শিশুটি কোনোভাবে ফাঁসের শিকার হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে পরিবার নিশ্চিত নয়।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান জানান, শনির আখড়া এলাকা থেকে অসুস্থ অবস্থায় ওই শিশুকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি জানান, শিশুটির গলায় দাগ থাকায় ঘটনাটি রহস্যজনক বলে মনে হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, শিশুটির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
এ ঘটনায় শিশুটির মৃত্যু দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে হয়েছে—তা খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
যাত্রাবাড়ীতে শিশুর মৃত্যু চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী
কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!