যুক্তরাষ্ট্র   বুধবার ১৪ অক্টোবর ২০২৬,২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

বাংলামোটরে চাঁদা দাবির মামলায় বহিষ্কৃত যুবদল নেতা সাইমন রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৫ PM ৬০
বাংলামোটরে চাঁদা দাবির মামলায় বহিষ্কৃত যুবদল নেতা সাইমন রিমান্ডে

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর বাংলামোটরে এক ব্যক্তির কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি, মারধর ও ফাঁকা গুলি ছোড়ার অভিযোগে করা মামলায় বহিষ্কৃত যুবদল নেতা ফেরদৌস আহমেদ সাইমনসহ চারজনকে রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। সাইমনের চার দিন এবং অন্য তিন আসামির তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহানের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চার আসামির প্রত্যেককে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছিলেন।

রিমান্ডে যাওয়া অন্য তিনজন হলেন ওমর (৩২), মোর্শেদ (২৫) ও মো. শাওন (২৫)।

মামলার এজাহার ও পুলিশের রিমান্ড আবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বাংলামোটরের নিউ ইস্কাটন এলাকায় মো. সোহানের পথরোধ করা হয়। এ সময় সাইমন তার কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এজাহারে বলা হয়েছে, টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সাইমন আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন এবং একপর্যায়ে অস্ত্রের বাঁট দিয়ে সোহানের মাথায় আঘাত করেন। অন্য আসামিরাও তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা সেখান থেকে চলে যান। আহত সোহান প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পর অন্যত্র চিকিৎসার জন্য যাওয়ার সময় আবারও তার ওপর হামলার চেষ্টা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এ সময় সোহানের ভগ্নিপতি মো. মোক্তার হোসেন বাধা দিলে তাকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। একই সময় আতঙ্ক সৃষ্টি করতে সাইমন ফাঁকা গুলি ছোড়েন বলে পুলিশের রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে কয়েকজনকে আটক করেন। পরে হাতিরঝিল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সাইমনসহ চারজনকে হেফাজতে নেয়।

এ ঘটনায় সোহান বাদী হয়ে হাতিরঝিল থানায় মামলা করেন। মামলায় সাইমনসহ চারজনকে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশের রিমান্ড আবেদনে দাবি করা হয়েছে, ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, পলাতক ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং মামলার অন্যান্য তথ্য যাচাই করতে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।

সাইমন হাতিরঝিল থানা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক এবং সংগঠন থেকে বহিষ্কৃত। তবে মামলায় আনা চাঁদাবাজি, মারধর ও অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগগুলো এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি।

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!