যুক্তরাষ্ট্র   রবিবার ২ আগস্ট ২০২৬,১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

মেসেঞ্জারে আপত্তিকর কথোপকথন ভাইরাল, ছাত্রশক্তির শাবিপ্রবি নেতাকে অব্যাহতি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১ আগস্ট ২০২৬, ১১:৫৩ AM

১১
মেসেঞ্জারে আপত্তিকর কথোপকথন ভাইরাল, ছাত্রশক্তির শাবিপ্রবি নেতাকে অব্যাহতি

মেসেঞ্জারে আপত্তিকর কথোপকথন ও ছাত্রশক্তির লোগো। ছবি: সংগৃহীত

ফেসবুক মেসেঞ্জারে আপত্তিকর কথোপকথনের স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছাত্রসংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) শাখার এক নেতাকে সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ আহসান ও সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদারের নির্দেশে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানানো হয়েছে।

জাতীয় ছাত্রশক্তির পক্ষ থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনের নীতি, আদর্শ ও উদ্দেশ্যের পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সাজিদ আহমেদ মোল্লাকে সব ধরনের সাংগঠনিক দায়িত্ব ও পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

অব্যাহতি পাওয়া সাজিদ আহমেদ মোল্লা শাবিপ্রবি ছাত্রশক্তি শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিকৌশল ও পলিমারবিজ্ঞান বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক মাহফুজুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অভিযোগের প্রেক্ষিতে সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত হিসেবে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক রাশিদ আবরার।

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার ‘প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস অ্যালায়েন্স অব বাংলাদেশ (পুসাব)’ নামের একটি ফেসবুক পেজে সাজিদ আহমেদ মোল্লার মেসেঞ্জারের কয়েকটি কথোপকথনের স্ক্রিনশট প্রকাশ করা হয়।

ওই স্ক্রিনশট ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। অভিযোগ ওঠে, কথোপকথনে নারী শিক্ষার্থী ও কিশোরীদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়েছে।

তবে সাজিদ আহমেদ মোল্লা দাবি করেছেন, ভাইরাল হওয়া স্ক্রিনশট সত্য হলেও সেটি এক বছর আগের। তার ভাষ্য, কথোপকথনটি তার খালাতো ভাইয়ের সঙ্গে হয়েছিল এবং এটি কোনো বাস্তব ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়।

তিনি আরও জানান, বিষয়টি তদন্তের জন্য সংগঠন তাকে সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছে।

এদিকে শাবিপ্রবির প্রক্টর মোখলেসুর রহমান জানিয়েছেন, এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। তবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী নিরাপত্তার বিষয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!