যুক্তরাষ্ট্র   বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,৭ আশ্বিন ১৪৩৩

খুলনা বিভাগে এক দিনে রেকর্ড ৩৩৪ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৫ PM ৫৬
খুলনা বিভাগে এক দিনে রেকর্ড ৩৩৪ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে

ছবি: সংগৃহীত

খুলনা বিভাগে ডেঙ্গুর সংক্রমণ দ্রুত বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ৩৩৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন, যা চলতি বছরে এক দিনে সর্বোচ্চ রোগী হাসপাতালে ভর্তির রেকর্ড। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে শুধু খুলনা জেলা ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেই ২০৯ জন চিকিৎসা নিতে ভর্তি হয়েছেন।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শেখ মো. মোশাররফ হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত এক দিনে বিভাগের সরকারি হাসপাতালগুলোতে ২৮৭ জন এবং বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে ৪৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে খুলনা জেলায় সর্বোচ্চ ১৬৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। জেলার সরকারি হাসপাতালে ১১৭ জন এবং বেসরকারি হাসপাতালে ৪৭ জন চিকিৎসা নিতে গেছেন। এ ছাড়া খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নতুন করে ৪৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন।

বিভাগের অন্যান্য জেলার মধ্যে যশোরে ৩৭ জন, বাগেরহাটে ১৯ জন, ঝিনাইদহে ১৬ জন, মাগুরায় ১৪ জন এবং সাতক্ষীরায় ১৫ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সাতক্ষীরার জেলা হাসপাতালে ৯ জন এবং মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬ জন চিকিৎসা নিয়েছেন।

এ ছাড়া কুষ্টিয়ায় ৯ জন, চুয়াডাঙ্গায় ৭ জন, নড়াইলে ৬ জন এবং মেহেরপুরে ২ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খুলনা বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ১৮৩ জনে। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে ৬ হাজার ১১২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ৮৮৫ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে বিভাগের কোথাও কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। তবে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত খুলনা বিভাগে ডেঙ্গুতে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৮ জন, খুলনা জেলা হাসপাতালে ২ জন এবং বাগেরহাটে একজন মারা গেছেন।

ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকায় খুলনা বিভাগের হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপও বাড়ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার এবং জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!