গল্পের আলোকে প্রতীকী চিত্র।
নাঈম এবার সিদ্ধান্ত নিল—সে অপেক্ষা করবে না, সে ফাঁদ পাতবে।
সে নিজের বোন নাইশাকে নিরাপদ জায়গায় রাখল, কিন্তু কাউকে বলল না।
তারপর শহরের তিনটি স্কুলে একই দিনে নজরদারি বসাল।
সবকিছু নিখুঁত পরিকল্পনা।
বিকেল ৪টা।
স্কুল ছুটি।
সবকিছু স্বাভাবিক…
হঠাৎ—
আকাশে একটি লাল বেলুন ভেসে উঠল।
একটি নয়…
দশটি।
শিশুরা থমকে গেল।
ঠিক তখনই একজন ম্যাজিশিয়ান রাস্তার মাঝখানে হাজির হলো।
কালো কোট, সাদা দস্তানা।
সে হাত নাড়তেই—
বাতাসে কাগজ উড়তে লাগল, আলো ঝাপসা হয়ে গেল।
নাঈম চিৎকার করল—
“সবাইকে সরাও!”
কিন্তু বিশৃঙ্খলার ভেতর শিশুরা দিক হারিয়ে ফেলল।
এক মুহূর্তের জন্য সব অন্ধকার।
আলো ফিরতেই—
ম্যাজিশিয়ান নেই।
কিন্তু রাস্তায় পড়ে আছে একটা জিনিস—
নাঈমের নিজের বোন নাইশার স্কুল ব্যাগ।
নাঈমের মাথা ঘুরে গেল।
সে দৌড় দিল।
সিসিটিভি ফুটেজ চেক করা হলো—
কিন্তু এবার ভিডিওতে কিছু অদ্ভুত জিনিস দেখা গেল।
ম্যাজিশিয়ান একবার ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে বলল—
“তুমি যাকে বাঁচাতে চাও… সে ইতিমধ্যেই আমার মঞ্চে।”
নাঈম বুঝল—
এই খেলা এখন আর শহরের না…
এটা তার জীবনের বিরুদ্ধে।
কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!