ছবি: সংগৃহীত
চিলির জনপ্রিয় ক্লাব কোলো-কোলোর নতুন গোলরক্ষক হিসেবে যোগ দেওয়ার আগেই অদ্ভুত এক সমস্যায় পড়েছেন কেপ ভার্দের ফুটবলার ভোজিনিয়া। বিশ্বকাপে যে ডাকনামে তিনি পরিচিতি পেয়েছিলেন, সেই নামটি নতুন ক্লাবের জার্সিতে ব্যবহার করতে পারবেন না তিনি।
ভোজিনিয়ার আসল নাম জোসিমার এভোরা দিয়াস। চিলির পেশাদার ফুটবল লিগের নিয়ম অনুযায়ী, খেলোয়াড়দের জার্সিতে কোনো ডাকনাম, উপনাম বা বিশেষ পরিচিতি ব্যবহার করা যায় না। তাই নতুন ক্লাবের হয়ে মাঠে নামার আগে তাকে নিজের পারিবারিক নামের একটি ব্যবহার করতে হবে।
চিলিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের নিয়ম অনুযায়ী, খেলোয়াড়দের জার্সির পেছনে বাবা অথবা মায়ের পারিবারিক নাম ব্যবহার করতে হয়। প্রয়োজনে প্রথম নামের প্রথম অক্ষর যোগ করা যেতে পারে। তবে কোনো ডাকনাম ব্যবহারের অনুমতি নেই।
এই নিয়মের কারণে ভোজিনিয়াকে ‘এভোরা’ অথবা ‘দিয়াস’—এই দুই নামের মধ্যে একটি বেছে নিতে হবে। তবে তার ক্লাব কোলো-কোলো চাইলে বিশেষ অনুমতির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে পারে।
৪০ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক মঙ্গলবার চিলির সান্তিয়াগোতে কোলো-কোলোর সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন করবেন। মেডিকেল পরীক্ষা শেষে তার সঙ্গে ২০২৬ সালের শেষ পর্যন্ত চুক্তি হওয়ার কথা রয়েছে। পরবর্তীতে আরও এক বছর চুক্তি বাড়ানোর সুযোগ থাকবে।
ভোজিনিয়া নামটি তার শৈশব থেকেই পরিচিত। দাদা-দাদি মারিয়া সেনহোরিনিয়া দোস সান্তোস ও মানুয়েল দা লুজ মোরায়েসের কাছে বড় হওয়া এই গোলরক্ষক ছোটবেলায় তাদের সঙ্গেই ফুটবল খেলতে যেতেন। মাঠে প্রতিযোগিতামূলক আচরণের কারণে বন্ধুরা মজা করে তাকে দাদা-দাদির কাছে সাহায্যের জন্য ছুটে যাওয়ার কথা বলতেন। সেখান থেকেই জন্ম নেয় ‘ভোজিনিয়া’ ডাকনাম, যা পরে বিশ্বকাপে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
কেপ ভার্দের এই গোলরক্ষকের নামের সঙ্গেও রয়েছে ব্রাজিলের যোগসূত্র। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের হয়ে আলোচনায় আসা সাবেক ফুটবলার জোসিমারের নাম থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তার নাম রাখা হয়েছিল।
ফুটবল ভোজিনিয়া
কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!